পশ্চিমবঙ্গ পুলিশ কনস্টেবল, লেডি কনস্টেবল, কলকাতা পুলিশ, আবগারি পুলিশ এবং অন্যান্য সরকারী চাকুরীর পরীক্ষার জন্য বইটি অত্যন্ত প্রয়োজনীয়।

COMBINED GK, GI & MATH 4500* QUESTIONS & ANSWERS 

  • 61 COMBINED MODEL PRACTICE SETS 
  • 13 COMBINED MATH MODEL PRACTICE SETS 
  • 6 COMBINED GI MODEL PRACTICE SETS 
  • TOTAL 80 MODEL PRACTICE SETS

Price : Rs.300 (Rupees Three Hundred Only)



কবি দেবাশীষ চট্টোপাধ্যায় বর্তমান কাব্যগ্রহন্থ ‘কলমে বকলমে’ এর কাব্যের বিষয় সাজিয়ে তুলেছেন নানা বর্ণের ব্যক্তিক-নৈব্যক্তিক অনুভূতির মেঘমালায়। কবিতাগুলি ভাব-মাহাত্মে বিভোর, বহুমাত্রিক, অনুভূতির টানে সঞ্জীবিত। মনে দাগ কাটা, চিরন্তনী আবেশ ছড়ানো কবিতাগুলি ‘কলমে বকলমে’ কাব্যগ্রন্থের দু’মলাটের মধ্যে অক্ষরে অক্ষরে প্রাণময়, নিজেকে মেলে ধরার জন্য ধ্রপদী বাউলভাবে বিভোর। সুপাঠ্য কবিতাগুলি জীবনের বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন সঞ্চিত মনজ্ঞ অভিজ্ঞতার সফল নির্যাস। কবিতাগুলির নামকরণেও রয়েছে আধুনিকতার ছোয়া। কবিতাগুলির অন্যতম বৈশিষ্ট্য অবশ্যই কবির নিজস্বতা, শব্দ-চয়নে মেদবিহীন সারল্য এবং বলিষ্ঠ-ভাবপ্রকাশ। গ্রন্থটি এককথায় সর্বাঙ্গ সুন্দর। 
গ্রন্থটির ঐকান্তিক সাফল্য কামনা করি।

www.tatobhumiprakashani.in
দেবাশীষ চট্টোপাধ্যায় – কবি শ্রী দেবাশীষ চট্টোপাধ্যায়ের জন্ম শিল্পনগরী জামশেদপুরে ১৯৪৯ খ্রিস্টাব্দে। জামশেদপুরেই সাধারণ শিক্ষা ও কারিগরি শিক্ষা লাভ করে বার্ণপুরে ইস্পাত-শিল্পে কর্মজীবন শুরু। অবসর গ্রহণের পর অম্বিকা কালনায় আগমন। অনিয়মিত সাহিত্য চর্চা এখানেই নিত্য সাধনায় পরিবর্তিত হয়। ২০১৬ খৃ: প্রকাশিত হয় “চাণক্য নীতির সুধামৃত” গ্রন্থটি। সব পাঠক মহলেই এই গ্রন্থ সমাদৃত হওয়ায় চাণক্যর উপর দ্বিতীয় গ্রন্থ “চাণক্য শ্লোক সুধামৃত” গ্রন্থটি নির্মাণে প্রেরণা লাভ করেন। কথা সাহিত্যিক শ্রী অতীন বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁর চাণক্য নীতির উপর লেখা গ্রন্থগুলির ভূয়সী প্রশংসা করেন। 
শ্রী দেবাশীষ চট্টোপাধ্যায় দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন পত্র-পত্রিকায় এবং ব্যক্তিগত চর্চায় কবিতাকে রেখেছেন তাঁর সাহিত্যচর্চা অন্যতম মাধ্যম হিসাবে। বর্তমান গ্রন্থ ‘কলমে বকলমে’ তাঁর সুদীর্ঘ সাহিত্যচর্চার বা পরিক্রমার একটি অনন্য ফসল।

মূল্য : ২৫০ টাকা মাত্র (দুইশত পঞ্চাশ টাকা মাত্র)
ড. কমলেশ ভট্টাচর্য বিরচিত “কালনা চরিতনামা” কালনার মনীষীদের কর্মজীবন, সামাজিক জীবন, ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট এবং সর্বোপরি কালনা মহকুমার ঐতিহাসিক খণ্ডচিত্র সুলেখনির বন্ধনে সুপ্রস্থিত। এই গ্রন্থে কেবল কতিপয় মহাজীবনের গুণকীর্তন করা হয় নি; লেখক তুলে ধরেচেন তৎকালিন সমাজ জীবন, রাজনৈতিক কর্মগ্রবাহ, সাংস্কৃতিক পরিমণ্ডল-এককথায় গ্রন্থটি গবেষণামূলক আঞ্চলিক ইতিহাস এবং প্রামাণ্য ও তথ্যসমৃদ্ধ জীবন্ত দলিল। 
আঞ্চলিক অথবা পূর্ণাঙ্গ ইতিহাস নির্মাণে ব্যক্তির ভুমিকা অনস্বীকার্য। ব্যক্তিই তার কর্ম-মাহাত্ম্যে গড়ে তোরৈন ইতহাস বা নিজেই হয়ে ওঠেন পূর্ণাঙ্গ ইতিহাস। “কালনা চরিতনামা” এমনই এক বিরল গ্রন্থ যা ব্যক্তির কর্মকাণ্ডের প্রবাহধারায় বৃহত্তর জনজীবনে গভীর প্রভাব ফেলে। আলোচনার পাশাপাশি তাদের কর্মজীবন, সাংস্কৃতিক জীবনকে ঐতিহাসিক করে তুলেছে। 
লেখকের কলমে দুই মলাটে এক বৃহত্তর জীবনেতিহাস সরবে-নিরবে অক্ষরে অক্ষরে প্রবাহমান।


ড. কমলেশ ভট্টাচার্য
হুগলী জেলার গুপ্তিপাড়ার বঙ্গদেশখ্যাত পণ্ডিত চট্টশোভাকার বংশে জন্মগ্রহন করেন। বংশধিপতি ছিলেন বঙ্গদেশধিপতি মহারাজ লক্ষ্মণ সেনের সভাপণ্ডিত পণ্ডিতকূলচূড়ামণি হলায়ুধ দেবশর্ম্মণ। পিতা সাহিত্যরত্ন নৃসিংহপ্রসাদ ভট্টাচার্য ছিলেন স্বাধীনতা সংগ্রামী ও পণ্ডিত ব্যক্তি। মাতা বিভারানী দেবী। গুপ্তিপাড়া হাৈইস্কুল থেকে বিদ্যালয় শিক্ষা শেষ করে কালনা কলেজ থেকে বাংলা ভাষা ও সাহিত্যে অনার্সসহ স্মাতক হন। এরপর বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয় থেকে উক্ত বিষয়ে এম.এ. পাশ করেন। ১৯৮৩ সালে ওই বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বাংলা সাহিত্যে পিিএইচ.ডি. প্রাপ্ত হন। গবেষণার বিষয় ছিল ‘তত্ত্ববোধিনী পত্রিকার আদিপর্ব’(অক্ষয় দত্ত যুগ)। বিদ্যালয় ছাত্রদের উপযোগী ‘ভাষাবোধ ও রচনা প্রবেশ’ গ্রন্থের প্রণেতা। নৃসিংঞপ্রসাদ ভট্টাচার্যকৃত ‍পুস্তক‘বঙ্গসংস্কৃতির একপর্ব’ ও ‘গুপ্তিপাড়া মঠকাহিনী ও বঙ্গের প্রথম বারোয়ারী’ গ্রন্থদুটি নিপুন হাতে সম্পাদনা করেন। কালনা মহকুমার বিশিষ্ট ব্রক্তিদের নিয়ে ‘স্মনীয় জীবন” (১ম খণ্ড) নামে একটি পুস্তকের প্রণেতা। এছাড়াও স্কুলপাঠ্য বিভিন্ন গ্রন্থের রচয়িতা। বিভিন্ন মননশীল, বিষয়গৌরবী প্রবন্ধ ও ছোটগল্পকার হিসাবে মুন্সিয়ানার পরিচয় রেখেছেন। 
কর্মজীবন : বহু উচ্চপদ ও সংস্থায় চাকুরী পাওয়া সত্ত্বেও পারিবারিক বাধ্যবাধকতায় তা থেকে নিজেকে বঞ্চিত করে বর্ধমান জেলার কালনা অম্বিকা মহিষমদ্দির্নী উচ্চ বিদ্যালয়ে (উচ্চমাধ্যমিক) শিক্ষকতার চাকুরী গ্রহণ করেন। পরে ওিই বিদ্যালয়েই সহকারী প্রধান শিক্ষক হিসাবে দায়িত্বভার গ্রহণ করেন এবং ওই পদে থেকেই অবসরগ্রহণ করেন।
মূল্য : ৩০০ টাকা মাত্র (তিন শত টাকা মাত্র)




’বর্ধমান রাজ ইতিবৃত্ত’ গ্রন্থটি নীরদবরণ সরকারের শ্রেষ্ঠ গ্রন্থ বললে অত্যুক্তি হবে না। বাংলার সমাজ জীবন, রাজনৈতিক জীবন, অর্থনৈতিক জীবন - সর্বোপরি ধর্মীয় জীবনে বর্ধমান রাজ পরিবারের অবদান অপরিসীম। এ বিষয়ে তথ্য নির্ভর গবেষনা রয়েছে এই গ্রন্থে। বর্ধমান রাজবংশের প্রতিষ্ঠাতা সঙ্গম রায় থেকে মহারাজাধিরাজ উদয় চাঁদ পর্যন্ত সকল রাজাদের ব্যক্তিজীবন, কর্মজীবন, রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট, মন্দির প্রতিষ্ঠায় তথা ধর্মীয় জীবনে তাদের প্রভাব, সামাজিক অবদান ইত্যাদি ছবি সহ সুনিপুন লেখনিতে সনিবন্দিত হয়ে রয়েছে এই গ্রন্থে।

নীরদবরণ সরকার
শ্রী নীরদবরণ সরকার, সাহিত্যবিনোদ ইতিপূর্বে ‘নগর বর্ধমানের দেবদেবী’, ‘প্রাচীন বর্ধমানের সংস্কৃতি ও ধর্মীয় চেতনা’, বিস্মৃত রাঢ়ের বিলুপ্ত কথন’, আপন অন্তর্লোকে রাঢ়ের প্রাসঙ্গিকতা’, ‘রাঢ় বর্ধমানের সাধক কবি কমলাকান্ত’, ’সর্ব্বব্যাপী চরাচর দেবী সর্বমঙ্গলা উপাখ্যান’, ‘বর্ধমােন ১০৮ শিবমন্দির’, ‘বর্ধমান রাজ ইতিবৃত্ত (১ম সংস্করণ)’, ‘রত্নগর্ভা রাঢ় বর্ধমানের রত্নভাণ্ডার’, ‘বর্ধমান রাজ কাহিনি (কিশোর পাঠ্য ‘, ‘ঐতিহ্যে বর্ধমান’ এবং ‘বর্ধমান রাজ ইতিবৃত্ত’ - ইংরাজী অনুবাদ রচনা করে তাঁর দেশজোড়া সুখ্যাতি অর্জন করেছেন। তিনি প্রচণ্ড পরিশ্রমে ‘বর্ধমান রাজ ইতিবৃত্ত’ রচনা করেন।
তাঁর সুদীর্ঘ জীবনের এ ছিল প্রাণের একটি গভীর সাধ। স্বেচ্ছাদয়িত্ব নিয়ে তিনি এ গ্রন্থেবর্ধমানে রাজাদের প্রাচীনতম ইতিহাস উদ্ধার করেছেন। ১৬১০ খ্রীষ্টাব্দ থেকে এই ইতিহাসের সূচনা। তারপর ১৬৫৭-১৯৫৫ পর্যন্ত আবু রায় থেকে মহারাজাধিরাজ উদয়চাঁদ মহতাব পর্যন্ত সুদীর্ঘ ৩৫০ বছরের ইতিহাস তিনি বিজ্ঞানসম্মতভাবে রচনা করেছেন। এই সঙ্গে বিভিন্ন শাসকগোষ্ঠীর সময় অর্থাৎ মোগল সম্রাট আকবর থেকে ব্রিটিশ শাসক লর্ড মাউন্ট ব্যাটেন পর্যন্ত প্রায় ৩৫০ বছরের ‘রাজ ইতিবৃত্ত’ বিস্তারিতভাবে পরিস্ফূট হয়েছে।
মূল্য : ৫০০ টাকা মাত্র (পাঁচ শত টাকা মাত্র)

কর্মজীবনে দীর্ঘদিন সুন্দরবনে কাটিয়েছেন লেখক। তারুণ্যের বর্ণময় সময়ে সুন্দরবনের অবগুণ্ঠনহীন নৈসর্গিক দৃশ্যছটা অবলোকন করেন লেখক। তাঁরই মৌলিক অনুরণন এই গন্থে প্রবলভাবে বিরাজমান। তৎকালিন সুন্দরবনের জীবন, প্রকৃতি, জীবিকা, আর্থসামাজিক প্রেক্ষাপট, মানুষের সহজ-সরল জীবন-ধারা, নদীনালার প্রবহমানতা বন্যপশু, রয়্যাল বেঙ্গল টাইগার, সুন্দরী, গড়ান, কেওড়ার জগতে আত্মহারা লেখক আপন লেখনিগুণে তুলে ধরেছেন সুন্দরবনের পদাবলী। সেই নির্জন, সবুজ, নদ-নদী নালার দেশে লেখক তন্নতন্ন করে খুঁজে বেড়িয়েচেন প্রবহমান মানুষের আত্মকথা, তাদের পদাবলী, তাদের জীবনগাথা। 
গ্রন্থটি সুখপাঠ্য। অনাড়ম্বর ভাষায় লেখক তার অভিজ্ঞতা চিত্রকল্পের মত থরে-বিথরে সাজিয়ে তুলেছেন দুই মলাটের স্বল্প-দৈর্ঘ্যের পাতায় পাতায়। তাই সুন্দরবনের পদাবলী হয়ে উঠেছে এক জীবনের অখণ্ড দর্শন, মৌলিক তর্পণ। 
গ্রন্থটির সাফল্য কামনা করি।

সিদ্ধেশ্বর আচার্য্য
জন্ম কালনা শহরে ১৯৩৬ সালে। পিতা বিমলানন্দ আচার্য্য, কালনার প্রথম ভুমিপুত্র কালনাতা হাইকোটের আইনজীবী। ১৯৬০ সালে গ্রামসেবকের সরকারি চাকরি নিয়ে কর্মজীবন শুরু এবং ১৯৯৪ সালে এক্সটেনসন অফিসার সোশ্যাল এডুকেশন পদ থেকে অবসর পরে ১৯৯৫ থেকে ২০০০ সাল পর্যন্ত কালনা পৌরসভার উপপৌরপতি এবং ২০০০ সাল থেকে ২০০৩ সাল পর্যন্ত D.P.E.P.-তে State Co-Ordinator, Comunity Mobilization হিসাবে কার্য উপলক্ষ্যে সারা পশ্চিমবঙ্গ ভ্রমণ। 
সাংবাদিক হিসাবে পাক্ষিক ‘পল্লীচিত্র’ পত্রিকার ১১ বচর সম্পাদনা করেছেন। দীর্ঘদিন ধরে সভাপতি ছিলেন ‘বর্ধমান ইতিহাস ও পুরাতত্ত্ব-চর্চাকেন্দ্রে’। বর্তমানে সভাপতি ‘কালনা মহকুমা ইতিহাস ও পুরাতত্ত্ব চর্চাকেন্দ্র’ এবং সম্পাদক ‘সিনে সোসাইটি’। ভ্রমণ, ছোটগল্প, আঞ্চলিক ইতিহাসের উপর একাধিক বই লিখেছেন তিনি। দীর্ঘ ৫০ বছর সিনে আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত হয়ে স্বীকৃতি স্বরূপ পেয়েছেন ফেডারেশন অফ ফিল্ম সোসাইটি অফ ইন্ডয়ার পূর্বাঞ্চলিয় শাখায় প্রথম Life Time Achievement Award
মূল্য : ২০০ টাকা মাত্র (দুইশত টাকা মাত্র)

বাংলা সাহিত্যের একটা বড় অংশ জুড়ে রয়েছে বৈষ্ণব-সাহিত্য। চৈতন্যযুগ বা চৈতন্য পরবর্তী যুগে গৌড়িয় বৈষ্ণব ধর্ম সাহিত্যের লৌকিকতার আলোকে উদ্ভাসিত হয়ে সার্বজনীনতার আঙিনায় প্রবেশ করে। তাৎপর্যপূর্ণভাবে, বৈষ্ণব ধর্মের এমন পরম্পরা ও ঐতিহ্য থাকা সত্বেও তার কালানুক্রমিক ইতিহাস বাংলা সাহিত্যে আজও বিরল। শ্রী সমীর চট্টোপাধ্যায়ের “বৈষ্ণব ধর্মের কালানুক্রমিক ইতিহাস” গ্রন্থটি চৈতন্য গবেষণায়, ধর্মপিপাসু পাঠকবর্গের তথা জ্ঞানপিপাসু মানুষের কাছে হয়ে উঠবে এক প্রামান্য তথ্য নির্ভর আকর গ্রন্থ। এই গ্রন্থ, এক কথায়, এক ঐতিহাসিক দায়িত্ব পালনে ব্রতী। লেখক বৈষ্ণব ধর্মের সঙ্গে সংযুক্ত নানাবিধ কর্মকাণ্ড ও ঘটনাবলীকে কালানুক্রমিক ভাবে ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপটে সাবলিল লেখনিতে উদ্ভাসিত করেছেন এই গ্রন্থে। গ্রন্থটির সার্বিক সাফল্য কামনা করি।


সমীর চট্টোপাধ্যায়
- সাহিত্যসাধক তথা প্রবন্ধকারের জন্ম ১৯৪৩ খ্রিস্টাব্দে, বর্ধমান জেলার কাটোয়া শহরে শ্রীচৈতন্যদেবের সন্ন্যাসভূমি তথা শ্রীগৌরাঙ্গ মন্দিরের সেবাইত চট্টোপাধ্যায় পরিবারে। ছোটবেলা থেকেই ধর্মীয় ও আধ্যাত্মিক পরিবেশে বড় হওয়া। শিক্ষান্তে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের পূর্তবিভাগে (বৈদ্যুতিক শাখা) ইঞ্জিনীয়ার হিসাবে কর্মরত ছিলেন। ২০০৩ খ্রিস্টাব্দে অবসর গ্রহণের পরে সাহিত্যচর্চা শুরু তবে ছাত্রাবস্থায় বিদ্যালয়ের হস্তমুদ্রিত ম্যাগাজিনে ‘পূর্বাশা’ প্রথম লেখা প্রকাশ পেয়েছিল। ১৯৮৬ খ্রিস্টাব্দে শ্রীচৈতন্যের সন্ন্যাস গ্রহণের পাঁচশো বৎসর পূর্তি উপলক্ষ্যে যে রচনা প্রকাশিত হয়েছিল তাহা কাটোয়া শ্রীগৌরাঙ্গ মন্দির থেকে পাঠকসমাজে সমাদৃত হওয়ার সাহিত্যসাধনায় অনুপ্রাণিত হন। ২০০৪ খ্রিঃ হতে স্থানীয় নানা পত্রপত্রিকা যথা ধূলামন্দির, গোপন খবর, অজয়, অধরা, সমাজের সাক্ষী, মুক্ত কলম, ময়ূরাক্ষী, রাধামাধব, শালপিয়াল, তুলসীচন্দন, স্বস্তিকা, জর্গরী, মাতৃশক্তি, ঝাড়খণ্ড থেকে প্রকাশিত বাঙালী জাগরণ মঞ্চ, খড়গপুর সমাচার ইত্যাদি বিভিন্ন পত্রপত্রিকায় তথ্যমূলক রচনা প্রকাশিত হয়। ২০০২ খ্রিঃ কাটোয়ায় অনুষ্ঠিত বইমেলায় যুগ্মলেখক হিসাবে প্রথম গ্রন্থ প্রকাশ – গৌর গৌরবাড়ী গৌরপাড়া। তার পরে একক ভাবে গ্রন্থ প্রকাশিত হয় – বাংলা সাহিত্যের অঙ্গন হতে (১ম পর্ব), স্মরণে – মননে শ্রীচৈতন্যদেব, অতীতের পৃষ্ঠা থেকে , যত সব পুরাতনী, কুইজ অন শ্রীচৈতন্যদেব, শ্রীচৈতন্য স্মৃতি কথা (১ম পর্ব) এবং মন্দিরময় কলকাতা মহানগরী। ব্যক্তিগত জীবনে নানা দেবমন্দির তথা নানা কৃতিপুরুষদের জন্মস্থান ভ্রমণের নেশা। প্রত্নতাত্ত্বিক ও অতীতের খ্যাতিমান মানুষদের বর্তমান প্রজন্মের সম্মুখে তুলে ধরাই লেখকের একান্ত প্রচেষ্টা। ভারতীয় সনাতন সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের প্রতি শ্রদ্ধাশীল, এই লেখক শিক্ষা-সংস্কৃতি ও সাহিত্য মহলে সুপরিচিত নাম।
মূল্য : ১৫০ টাকা মাত্র (এক শত পঞ্চাশ টাকা মাত্র)





সন্ধ্যা সাহা বিরচিত “ইন্দিরা উপাখ্যান” উপন্যাসটি নারীকেন্দ্রিক। এক নারীর চাওয়া-পাওয়ার জীবনেতিহাস-এ মননের নানা রঙ রামধনুর মত ফুটে ওঠে স্বচ্ছ দর্পনে। লেখিকার আপাত-সরল সহজ বর্ণনা-ধর্মী লেখনিতে রয়েছে বৃহত্তর জীবনের হাতছানি। ইন্দিরা যেন হয়ে ওঠেন আমাদের ঘরের মেয়ে, আমাদের সহধর্মিনী, আমাদের দিদি-বোন। সে যেন ‘মেঘে ঢাকা তারা’, সে যেন কাদম্বরী যে ‘মরিয়া প্রমাণ করিল সে মরে নাই।’ একটি মধ্যবৃত্ত সাংসারিক প্রেক্ষাপটে লেখনীর গুণে ইন্দিরা হয়ে উঠেছেন সব নারীর অন্দরমহল, সব নারীর ফল্গুধারা, নারীর আপন মনন। সন্ধ্যা সাহার ‘ইন্দিরা উপাখ্যান’ প্রকৃত অর্থে হয়ে উঠেছে এক অনন্য উপন্যাস।

সন্ধ্যা সাহা
সন্ধ্যা সাহা, পিতা স্বর্গীয় দুর্গাপদ সাহা, মাতা স্বর্গীয় পারুল লতা সাহা, স্বামী শ্রী উদয় কুমার সাহা। পেশা - গৃহবধূ। ছেলেবেলা থেকেই লেখাযোখা ও অভিনয়ের প্রতি বিশেষভাবে আকৃষ্ট। সংসার জীবনে মেয়েদের প্রতি যত্নবান ও অবস্থায় পরিপ্রেক্ষিতে লেখার প্রতি কিছুটা শিথিলতা আসে। বর্তমানে কবিতা, ছোটগল্প বিভিন্ন পত্র-পত্রিকায় প্রকাশিত হয়ে চলেছে। দেশে এবং বিদেশে বিভিন্ন সাহিত্য সংস্থার সাথে যুক্ত। রাজ্যে এবং রাজ্যের বাহিরে কবি সম্মেলনে অংশগ্রহণ, স্বরচিত গল্প ও কবিতা পাঠ করে বিভিন্ন সংস্থা দ্বারা সম্মানিত ও পুরস্কার অর্জন দিনের পর দিন অগ্রগতির দিকে। লেখাই এখন ধ্যানজ্ঞান। সম্প্রতি বাংলাদেশ কবিতা সংসদ দ্বারা আমন্ত্রিত হয়ে সম্মানিত ও সাহিত্য পদক পুরস্কার অর্জন। বাংলাদেশর বিভিন্ন পত্র পত্রিকায় তাঁর লেখা কবিতা নিয়মিত প্রকাশিত হয়। কয়েকটি সংকলনও প্রকাশিত হয়েছে।
শাশ্বত সরস্বতীর সাধনায় আদর্শের পথে সত্য ও সুন্দরের সৃজনী শিল্পে ব্রতী লেখিকা অবশিষ্ট জীবন কাটিয়ে দিতে চান সাহিত্য সৃষ্টি ও গ্রন্থ নির্মাণে। অসংখ্য গ্রন্থের লেখিকা তাঁর লেখনি শিল্পসুষমা নিয়ে আজও সমুজ্জ্বল।
মূল্য : ২০০ টাকা মাত্র (দুইশত টাকা মাত্র)