"Ambika Kalna" Located on the west bank of the Bhagirathi, a distributary of the Ganges, Ambika Kalna or popularly known as Kalna, a sup-divisional town, a municipality in Purba Bardhaman district in the Indian state of West Bengal, is a small unit of larger multi dimensional background in Indian History. The first reference to Ambika Kalna is found in a 6th century text name Kubjika Tantra.
According to General Alexander Cunningham, the founder of the Archaeological Survey of India, Ambika Kalna was a frontier city of the Tamralipta Kingdom in 7th century AD. During the reign of Shashanka in 7th century, a hyper naval-base was founded at Kalna. Kalna houses the only chaitannya temple built in Sri Chaitannya's life time. It is the renowned abode of pilgrimage for the Baisnabites. It was a celebrated place during the Muhamedan rule in the 15th century.
It reached it's pinnacle of glory during the late 18th century under the patronage of the Maharajas of Bardhaman, who built several magnificent temples with intricateterracotta ornamentation.
Every edifice in Ambika Kalna oozes history. It bears the testimony to the diversity of India's enriched cultural and religious heritage.

Sumalya Das
Sumalya Das (M.A., B.Ed, DELT), a teacher by profession, a freelance journalist by avocation, is a prolific writer, best known for shorter stories and essays on regional history. He has edited many research works like "Religious and Archaeological History of Ambika Kalna" (in Bengali), "Collection of Selected Stories" by Atin Bandhapadhay, a renowned Bengali writer, "Collected works" by Bhabani Prasad Majumder and "Collected works" by Apurba Dutta.

Preface to the First Edition
During recent years tourism in Ambika Kalna is increasing rapidly. A standard classic work on the history of Ambika Kalna in English language is the need of the hour. The present book is, therefore, designed to fulfill this need. A glance at the contents will suffice to bring out its usefulness not only for the travellers, but also for the general readers and history-lovers.
"Every edifice in Ambika Kalna, or Kalna as it popularly known, oozes history. The peerless architecture of the temples of the town and their history leave few untouched". Thus wrote the Telegraph on 17 Aug, 2005. "Had Kalna been outside India, it would have been equipped with an international airport and tourists would have clustered around here to marvel at the superb architectural beauty of these century-old shrines" - such statement came from "The Statesman" on "Kalna Shrines : Saga of Neglect" dated 27th April, 1992. These two statements, only a tip of the icebarg, will suffice to show how immense tourism potentiality Kalna has.
The endeavour and hard-work. I have taken to draft this book is really a himalayan task. I feel the presence of divinity and unseen power within me that propels me to carry out my task. I feel I am only an instrument to carry out the work assigned to me by divinity.
However, I would like to thank all who assisted me to complete the task. If this book becomes a success, I will feel honest endeavour and task never leave unnoticed and undone.
Sumalya Das
*********

Introduction
I felt a great pleasure while writing on the introduction of "The History of Ambika Kalna : Glimpses of Tourism" by Sumalya Das, Going through the manuscripts of "The History of Ambika Kalna" I feel extremely surprised at the antiquity of Ambika Kalna begetting a sense of reverence for that ancient city. In 'Kubjika Tanta' (7th chapter) in the 6th century we find the reference of Ambika Kalna. Historian Cunningham wrote during 6th-7th centuries Tamrya Liptya (Lamluk) dynasty was extended to Ambika Kalna. A hyper naval base during the reign of Shashanka was set up. It is interesting to note that Ikhtiyaruddin Bin Baktiyar Khalji settled temporarily at Kalna with his armed forces and later attacked Nabadwip and won over Nabadwip from Lakshman Sen.
Kalna is a centre for religious fervour. Here we have living glimpses of Jainism, Shakti Cult, Shairya cult, Baisnava cult, Buddhism as well as Christiam and Islamic cults. In addition to these Kalna is well known for religious tolerance and communal harmony. Kalna is an abode of many terracotta temples. Their wonders are one of the major turist attractions of Kalna.
This book I think is a history, indeed, to the fullest extent. A day will come when people, historians, writers, book-lovers will quote this book as a classic authentic reference for Kalna.
Atin Bandhapadhay
*********

Editorial
"The History of Ambika Kalna". "Gilimpses of Tourism"-by Sumalya Das is, in a work, a classic work in the realm of Regional History. It will certainly be not an exaggeration to say that this book is a pioneering guide for the historians working on Regional History.
Years of hardwork, detailed study, analytical outlook, immense tenacity on the part of the writer constitute this book. The author should be thanked for his outstanding endeavour. This book will certainly be considered a printed document for the history of Ambika Kalna. I especially thank Sumalya Das, a young teacher of great repute for the way he has arranged this book, collected data and for his selection of subjects. Subjects are divided according to the geographical location with a consideration that the tourists, especially the foreigners may enjoy tour to Kalna more preciously and without much physical hazzards.
Bhabani Prasad Majumder
*********

Letters of greetings and appreciation
"The History of Ambika Kalna", "Gilimpses of Tourism" is a monumental work in English both for tourists, non-bengali travellers and general readers as well as history lovers. Ambika Kalna has immense tourism potentiality. Communication barrier due to language will no more be a problem to discover Kalna as this book will work as a potential source to unearth history of each shrine, temple and monument.
Jageshwar Chowdhury

I pay my great regards and tribute to Sumalya Das, a young writer and teacher by professor for his uphill task to write a book like "The History of Ambika Kalna", "Glimpses of Tourism". I know what it takes to write a book of immense potentiality on Ambika Kalna like this. I wish him success in every work of life and pray to God for blessings showered on him.
Ninodbaran Sarkar

Going through the manuscripts of "History of Ambika Kalna : glimpses of Tourism" I felt spellbound considering the himalayan task the writer, Sumalya Das had endeavoured single handedly. This book is a classic work in the true sense of the term. I hope this book will help in every possible way every individual in order to feed his or her aesthetic query and need to know Kalna
Sastipada Chattapadhay

Price : Rs.200 (Rupees Two Hundred Only)

www.tatobhumiprakashani.in

সামাজিক ও সাংস্কৃতিক ইতিহাস
বর্ধমান জেলার অতি প্রাচীন জনপদ অম্বিকা কালনা। ভারতীয় সংস্কৃতির জীবন্ত সাক্ষী অম্বিকা কালনার গাঙ্গেয় তটভুমিতে স্তরে স্তরে সঞ্চিত হয়ে আছে ইতিহাস। পাল যুগে, সেন যুগে এমনকি গুপ্ত যুগেও ‘অম্বুয়া’র সমৃদ্ধ ইতিহাস ছিল। মধ্যযুগে শ্রীচৈতন্যের আবির্ভাবের আগেও কালনার প্রামান্য ইতিহাস রয়েছে।
www.tatobhumiprakashani.in

অম্বিকা কালনা ইতিহাস সমগ্র – ‘অম্বিকা কালনা : সামাজিক ও সাংস্কৃতিক ইতিহাস’ গ্রন্থটি কালনার সমাজ জীবন, অর্থনৈতিক এবং সাংস্কৃতিক জীবনকে ঐতিহাসিক আলোকে উদ্ভাসিত করেছে। এই গ্রন্থটি একেবারেই অনন্য এই কারনে যে সামাজিক ও সাংস্কৃতিক ইতিহাস পরিপূর্ণ গ্রন্থের মোড়কে কালনায় এই প্রথম। সঙ্গে যুক্ত করা হয়েছে কালনার শিক্ষার ক্রমবিবর্তনের প্রেক্ষাপট, প্রাচীনকালের সাংস্কৃতিক চর্চা। ধর্মীয় জীবনের বাইরে এই অঞ্চলের মানব গোষ্ঠীর যে আর্থ-সামাজিক জীবন, তার নান্দনিকতা, তার সংস্কৃতি তা অতি সুনিপুনভাবে তুলে ধরা হয়েছে এই গ্রন্থে।
www.tatobhumiprakashani.in
সুমাল্য দাস
- পেশায় ইংরাজী ভাষার শিক্ষক (এম.এ; বি.এড; ডি.ই.এল.টি) এবং সাংবাদিকতার জন্য জেলায় পরিচিত মুখ। শতাব্দী প্রাচীন ‘পল্লীবাসী’তে সাংবাদিকতায় হাতেঘড়ি বর্তমানে পল্লীবাসী, সাম্প্রতিক, হোত্রী, শিক্ষা ও সাহিত্য, সংঘসাথী, দৈনিক মুক্তবাংলাতে নিয়মিত প্রবন্ধ লেখক। প্রকাশিত হয়েছে লেখকের অনুগল্প সংকলন ‘বৃষ্টি হতে পারে’। তাঁর সম্পাদিত কালনার বিখ্যাত মহিষমর্দ্দিনী পূজার উপর আকরগ্রন্থ ‘মা মহিষমর্দ্দিনী : ধর্মীয় ও লৌকিক ইতিহাস’ লেখকের মৌলিক গবেষণার প্রতি আগ্রহ প্রতিভাত করে। বইটির উচ্চ সাফল্য বর্তমান গ্রন্থের প্রেরণা-প্রবাহ। লেখকের সংকলন ও সম্পাদনায় প্রকাশিত হয়েছে কৃষ্ণকুমার ভদ্রের ‘শেষস্মৃতি’ এবং কবিতা সংকলন ‘দশমিক’, লেখকের সম্পাদনায় প্রকাশিতব্য প্রখ্যাত সাহিত্যিক অতীন বন্দ্যোপাধ্যায়ের গল্প সংকলন এবং ভবানী প্রসাদ মজুমদারের নির্বাচিত ছড়া সংকলন। লেখ বর্তমানে সহঃসম্পাদক, এডিটরস্র এণ্ড জার্নালিসট গিল্ড, কালনা এবং সহঃ সম্পাদক, কালনা সংস্কৃতি পরিষদ।

  প্রথম ভাগ
বর্ধমান জেলার অতি প্রাচীন জনপদ অম্বিকা কালনা। ভারতীয় সংস্কৃতির জীবন্ত সাক্ষী অম্বিকা কালনার গাঙ্গেয় তটভুমিতে স্তরে স্তরে সঞ্চিত হয়ে আছে ইতিহাস। পাল যুগে, সেন যুগে এমনকি গুপ্ত যুগেও ‘অম্বুয়া’র সমৃদ্ধ ইতিহাস ছিল। মধ্যযুগে শ্রীচৈতন্যের আবির্ভাবের আগেও কালনার প্রামান্য ইতিহাস রয়েছে। সুলতানী আমলের পুরাতাত্বিক নিদর্শনগুলি কালনার ধর্মীয় সংস্কৃতির সঙ্গে ইসলামী সংস্কৃতির মেল বন্ধনের মুক্ত পরিমণ্ডলকে প্রমান করে। ‘অম্বিকা কালনা ইতিহাস সমগ্র’ (১) খন্ড ‘অম্বিকা কালনা’ ‘ধর্মীয় ও পুরাতাত্ত্বিক ইতিহাস’ গ্রন্থটি অম্বিকা কালনার প্রাচীন ধর্মীয় সংস্কৃতির ইতিহাসকে প্রামান্য তথ্য ও ঐতিহাসিক বিচার বিশ্লেষণের মধ্য দিয়ে আলোকিত ও জীবন্ত করে তুলেছে। নিরবিচ্ছিন্ন সম্মুখ ধারনার পরিকাঠামো গড়ার উদ্দেশ্যে গ্রন্থটির বিষয় বিন্যাস বিশেষভাবে সাজানো হয়েছে –
১) কালীক্ষেত্র, ২) শিবক্ষেত্র, ৩) কৃষ্ণক্ষেত্র, ৪) দুর্গাক্ষেত্র, ৫) বৈষ্ণবক্ষেত্র, ৬) জগন্নাথ দেব ও রামসীতাক্ষেত্র, ৭) ইসলামিক্ষেত্র, ৮) খ্রীষ্টক্ষেত্র ও ৯) অন্যান্য ধর্মীয়ক্ষেত্র।
অম্বিকা কালনায় সর্বধর্মের যে সমন্বয় ঘটেছে তা এই গ্রন্থে সুনিপুন সম্পাদনায় উজ্জ্বলভাবে প্রতিভাত হয়েছে।
মূল্য : ২০০ টাকা মাত্র(দুইশত টাকা মাত্র)



সুমাল্য দাস
- পেশায় ইংরাজী ভাষার শিক্ষক (এম.এ; বি.এড; ডি.ই.এল.টি) এবং সাংবাদিকতার জন্য জেলায় পরিচিত মুখ। শতাব্দী প্রাচীন ‘পল্লীবাসী’তে সাংবাদিকতায় হাতেঘড়ি বর্তমানে পল্লীবাসী, সাম্প্রতিক, হোত্রী, শিক্ষা ও সাহিত্য, সংঘসাথী, দৈনিক মুক্তবাংলাতে নিয়মিত প্রবন্ধ লেখক। প্রকাশিত হয়েছে লেখকের অনুগল্প সংকলন ‘বৃষ্টি হতে পারে’। তাঁর সম্পাদিত কালনার বিখ্যাত মহিষমর্দ্দিনী পূজার উপর আকরগ্রন্থ ‘মা মহিষমর্দ্দিনী : ধর্মীয় ও লৌকিক ইতিহাস’ লেখকের মৌলিক গবেষণার প্রতি আগ্রহ প্রতিভাত করে। বইটির উচ্চ সাফল্য বর্তমান গ্রন্থের প্রেরণা-প্রবাহ। লেখকের সংকলন ও সম্পাদনায় প্রকাশিত হয়েছে কৃষ্ণকুমার ভদ্রের ‘শেষস্মৃতি’ এবং কবিতা সংকলন ‘দশমিক’, লেখকের সম্পাদনায় প্রকাশিতব্য প্রখ্যাত সাহিত্যিক অতীন বন্দ্যোপাধ্যায়ের গল্প সংকলন এবং ভবানী প্রসাদ মজুমদারের নির্বাচিত ছড়া সংকলন। লেখ বর্তমানে সহঃসম্পাদক, এডিটরস্র এণ্ড জার্নালিসট গিল্ড, কালনা এবং সহঃ সম্পাদক, কালনা সংস্কৃতি পরিষদ।



ভার গৌরব তারানাথ তর্কবাচস্পতি (১৮১৮-১৮৮৪) বাংলার তথা দেশের অন্যতম শ্রেষ্ঠ পণ্ডিত। বিস্মৃত-প্রায় এই শাস্ত্রজ্ঞ পণ্ডিত, বহুমুখী প্রতিভাময় এই অনন্য ব্যক্তিত্বর জন্মভূমি অম্বিকা কালনা। তাঁর শ্রেষ্ঠ সাহিত্যসৃষ্টি ২২ খন্ডে সমাপ্ত ‘বাচস্পত্যবিধান’ (১৮৭০-৮৪) আজ সারা বিশ্বে স্বীকৃতি লাভ করেছে। একক ব্যক্তি লিখিত এত বড় কর্মকাণ্ড যা এক ব্যক্তিক জীবনে এককথায় অসম্ভব। তাঁর ‘শব্দস্তোমমহানিধি’ (১৮৬৯-৭০) অভিধান গ্রন্থটিও সারা বিশ্বে সমাদৃত। মহাবীর চরিত, ’ছন্দোমঞ্জরী’, ‘গয়ামাহাত্ম্য’, ‘গয়াশ্রাদ্ধ পদ্ধতি’, ‘গায়ত্রী ব্যাখ্যা’, ‘মুদ্রারাক্ষস’, ‘বেণীসংহার’, ‘দশকুমার চরিত’, ‘বৃত্তরত্নাকার’, ‘কাদম্বরী’ সহ অসংখ্য গ্রন্থ রচয়িতা তারানাথ লোকচক্ষুর অন্তরালে রয়ে গেছেন। ১৮৭০ খ্রি: লেখা শেষ গ্রন্থ “শব্দস্তোম মহানিধি” সংস্কৃত ভাষাসাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ সম্বদ যা পৃথিবীর সমস্ত বিশ্ববিদ্যালয়ে যেখানে সংস্কৃত ভাষাচর্চা হয়, সেখানেই পড়ানো হয়। এমন বিরল, মহাপ্রতিভা, ভারত গৌরব পণ্ডিত তারানাথ তর্কবাচস্পতির উপর এই গ্রন্থ সম্পাদনা করার প্রবল ইচ্ছে আমার মধ্যে ঘনীভূত হতে থাকে। অবশেষে শ্রী মানবেন্দ্র পাল, শ্রী যজ্ঝেশ্বর চৌধুরী ও শ্রী সিদ্ধেশ্বর আচার্য্যের লেখাগুলিকে একত্রিত করে এই গ্রন্থ নির্মিত হল। আমি কৃতজ্ঞতা ও ঋণস্বীকার করি ‘বসু প্রকাশনী’ (কালনা)-র কর্ণধার তথা প্রকাশক শ্রী দিলীপ বসুর কাছে। তাঁর পরিবেশনায় এবং ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় শ্রী মানবেন্দ্র পাল লিখিত ‘ভারত গৌরব পণ্ডিত তারানাথ’ প্রবন্ধটি প্রকাশিত হয়। এই লেখাটি এই গ্রন্থে সংযোজিত করা হয়েছে। কৃতজ্ঞতা জানাই পল্লীবাসী পত্রিকার সম্পাদক শ্রী তরুণ সেন মহাশয়কে। তার পল্লীবাসী পত্রিকায় ”একটি চিঠি” বিভাগে (২০/১০/১৪) তারিখে শ্রী সুধীন্দ্রনাথ ভট্টাচার্যের একটি লেখা প্রকাশিত হয়, তারানাথ তর্কবাচস্পতির উপর। ওই চিঠিটি বর্তমান গ্রন্থের ভুমকায় দেওয়া হয়েছে। এছাড়া “স্মরণে মননে দ্বিশত জন্মবর্ষ অতিক্রান্ত : ভারত গৌরব তারানাথ তর্কবাচস্পতি” শীর্ষক অধ্যাপক কল্যান ভট্টাচার্যের একটি লেখা প্রকাশিত হয়। ওই লেখাটি গ্রন্থের “মুখবন্ধ”-এ লিপিবদ্ধ রয়েছে। বিশেষ এবং বিরল সারস্বত প্রতিভার অধিকারী পণ্ডিত তারানাথ তর্কবাচস্পতি-র উপর এই গ্রন্থ নির্মাণ করতে পেরে ঈশ্বরের কাছে আমি কৃতজ্ঞ। আমার অন্তরাত্মার টানে যে গ্রন্থ নির্মাণের ভাবনায় আমি নিয়মিত ভাবনা ও শ্রম ব্যবহার করতাম আজ তা সম্ভব হওয়ায় আমি সকলের কাছে কৃতজ্ঞ।

মানবেন্দ্র পাল
১৯২৬ খ্রিঃ ২৩ এপ্রিল কালনা শহরের এক প্রগতিশীল ব্রাহ্ম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন সাহিত্যিক মানবেন্দ্র পাল। পিতা জ্ঞানেন্দ্রনাথ পাল ও মাতা সুচরিতা পালের কছে থেকেই সাহিত্যিক হওয়ায় বংশগত ও সাংস্কৃতিক পরিবেশ তিনি পেয়েছিলেন। দেব সাহিত্য কুটির, প্রবাসী, ভারতবর্ষ, মাসিক বসুমতী, দৈনিক বসুমতী, সাপ্তাহিক বসুমতী, শনিবারের চিঠি, গল্পভারতী, কথাসাহিত্য, দেশ, প্রসাদ, শুকতারা, নবকল্লোল সহ সমস্ত প্রথম শ্রেণির সাহিত্য পত্রিকায় তিনি নিয়মিত লিখতেন। তাঁর লেখা নাটকগুলি ভীষণ জনপ্রিয় হয়েছিল। বেতারেও তাঁর নাটক প্রচারিত হয়েছে। কালনার এই কৃতী সন্তান মানবেন্দ্র পাল বিশ্বভারতীর গ্রন্থণ বিভাগের ডেপুটি ডিরেক্টর ছিলেন। ২০১১ খ্রিঃ ২০ নভেম্বর তাঁর মহাপ্রয়াণ ঘটে।

শ্রী যজ্ঞেশ্বর চৌধুরী
প্রখ্যাত রাঢ় গবেষক শ্রী যজ্ঞেশ্বর চৌধুরী ১৯৪০ খ্রিঃ ৭ জুন বর্ধমান জেলার কাটোয়া মহকুমার অন্তর্গত শ্রী শ্রী যোগাদ্যা দেবীর সুপ্রাচীন পীঠস্থান হিসাবে পরিচিত ক্ষীরগ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। কলিকাতার সিটি কলেজ থেকে গ্রাজুয়েট হওয়ার পর ১৯৬৫ খ্রিঃ United Commercial Bank - এ কর্মজীবন শুরু করেন এবং ১৯৬৭-তে কর্মরত অবস্থায় এম.কম.পাশ করেন। পরবর্তীকালে ওই ব্যাঙ্কে উচ্চপদস্থ অফিসার পদে আসীন হন। মোট ৩৬ বছরের কর্মজীবনের ফাঁকে এবং অবসর জীবনে লেখেন একাধিক কালজয়ী গ্রন্থ - বর্ধমান ইতিহাস ও সংস্কৃতি (তিন খণ্ড), শ্রী চৈতন্যদেব ও সমকালীন নবদ্বীপ, যুগস্রষ্টা শ্রী চৈতন্য, আঞ্চলিক ইতিহাস চর্চা ও গ্রন্থপঞ্জী, রাঢ়ের সাংস্কৃতিক ইতিহাস, নবদ্বীপ বিদ্যাসমাজের ইতিহাস, আঞ্চলিক ইতিহাস সাধনা, পদাবলিতে নিমাই সন্ন্যাস, যুগস্রষ্টা শ্রীচৈতন্য। এছাড়া রয়েছে একাধিক সম্পাদিত গ্রন্থ। তাঁর গ্রন্থের সমালোচনা প্রকাশিত হয়েছে - দেশ, আনন্দবাজার, বর্তমান সহ বিভিন্ন প্রথম শ্রেণির বাংলা দৈনিক ও পত্র-পত্রিকায়।

শ্রী সিদ্ধেশ্বর আচার্য
জন্ম ১৯৩৬ সাল। পিতা কলিকাতা হাইকোর্টের আইনজীবী। সমাজসেবা, সাহিত্য-সংস্কৃতি, পুনাতত্ত্ব গবেষণায় এবং সর্বোপরি চলচ্চিত্র আন্দোলনে লেখকের অবদান অনস্বীকার্য। ১৯৯৪ সালে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের সমাজশিক্ষা সম্প্রসারণ আধিকারিকের পদ থেকে অবসর গ্রহণের পর কালনা পৌরসভার উপ-পৌরপতির পদ অলস্কৃত করেন। বর্তমানে ‘সিনে সোসাইটি’ কালনার সম্পাদক ও কালনা মহকুমা ইতিহাস ও পুরাতত্ত্বটা কেন্দ্রের সভাপতি পদে আসীন আছেন। কালনা ট্যুরিস্ট গাইড (বাংলা ও ইংরাজী), ‘আমার গল্পগুলি’, বর্ধমান জেলা নারী-ইতিহাসের সন্ধানে, ‘চিন্তা-বিচিত্রা’ সহ বিবিধ গ্রন্থ রচনা করেন। দীর্ঘ কর্মজীবনের স্বীকৃতি স্বরূপ তিনি পেয়েছেন একাধিক পুরস্কার ও সম্বর্ধনা।

মূল্য : ১২০ টাকা মাত্র(একশত কুরি টাকা মাত্র)


“ভগবান-দর্শন” গ্রন্থটির মূল প্রতিপাদ্য বিষয় ঈশ্বর-চিন্তা এবং তা আপন দৃষ্টিকোণ তেকে প্রকাশ করা। সেই অর্থে গ্রন্থটি মৌলিক। লেখক এখানে ঈশ্বর সম্পর্কে যা বোঝেন তা অবলীলায় লিখে গেছেন। লেখনির নিজস্ব কিছু গুন থাকে। প্রকাশভঙ্গি, শব্দচয়ন, ভাষা-মাধুর্য্য, চিন্তার বিন্যাস ও তার প্রকাশ ইত্যাদি ইত্যাদি। লেখক যেহেতু প্রথাগত বা প্রচলিত শিক্ষার সুযোগ পাননি এবং ৯৩ বছর বয়সে কলম ধরেছেন - সেই কারণে লেখনিতে নানাবিধ অসঙ্গতি রয়েছে - প্রকাশনীর সম্পাদক হিসাবে এই গ্রহন্থ প্রকাশের নৈতিক কারণ হিসাবে বলা যায় - এই গ্রন্থ এক অশীতিপর বৃদ্ধের শেষ জীবনাকুতি, তার ঈশ্বর ভাবনাকে শব্দের মোড়কে তুলে ধরাই এখন তার বেঁচে থাকার একমাত্র রসদ। পাঠকবর্গকে সনিবন্ধ অনুরোধ গ্রন্থের ক্রটি-বিচ্যুতি উপেক্ষা করে ৯৩ বছরের এক বৃদ্ধের ক্ষয়িষ্ণু কণ্ঠে জাগ্রত ভগাবন-দর্শনটুকু সদ্চিত্তে গ্রহণ করুন। হয়ত ছত্রে ছত্রে মিলবে তাঁর অমৃতবাণী। এককথায় ‘ভগবান দর্শন’ গ্রন্থটি এক উপলব্ধ দর্শন, গভীর মননশীল চিন্তনের লেখ্যরূপ।

রাধাগোবিন্দ সাহা
বয়স ৯৩। শিক্ষাগত যোগ্যতা প্রাথমিকের গণ্ডি অনুত্তীর্ণ। ব্যক্তিগত অক্ষমতা এর জন্য দায় নয়; দায়ী তীব্রতর দারিদ্রতার সঙ্গে লড়াই আর জীবনসংগ্রামে প্রথাগত শিক্ষা ব্যতিরেকে সাফল্য অর্জনের প্রচেষ্টা এবং বলাবাহুল্য সাফল্য লাভ করা। জন্ম বাংলাদেশের ফরিদপুর জেলার তৎকালীন মাদারীপুর মহকুমার পেয়ারপুর গ্রামে। পিতা মাকনলাল সাহা ও মাতা ললিতা সাহা। ব্যবসায়িক জীবনের অপরাহ্নে ঈশ্বর চিন্তার মধ্য দিয়ে ভারত আত্মার যে চেতনাপ্রবাহ তা অনুধাবণ করার মধ্য দিয়েই এই গ্রন্থের প্রয়াস ও প্রেরণা লাভ। অশীতিপর কলমের টানে ভগবান-অনুভূতি নিজের আঙ্গিকে তুলে ধরেছেন লেখক এই গ্রন্থে। না কোনো ঈশ্বরতত্ত্ব এখানে নেই। কোনো বিশেষ ধর্মের আলঙ্কারিক বা প্রায়োগিক ব্যাখ্যাও বিরল এই গ্রন্থে। একানে রয়েছে ৯৩ বছরের এক বৃদ্ধের আপন ভাবনার উদ্ভাবিত ঈশ্বর চিন্তা। সেই চিন্তায় তাঁর চিত্তে নির্মিত হয় এক চিন্ময়ী ভগবান-দর্শন, ভগবান-আলেখ্য। লেখক ওই দর্শন আলোকিত করেছেন আপন লেখনী দক্ষতায় এই গ্রন্থে। ভাষার প্রাচুর্য্য এখানে বিরল, ভাবনার সুগঠিত বিন্যাসও এখানে নেই, কিন্তু এখানে যা আছে তা সাহিত্য সৃষ্টির মূলসুর যা লেখনীর ছত্রে ছত্রে ধরা পড়ে - "Look in the heart and write", এককথায় উচ্চতর দার্শনিক ভাবনায় উদ্ভাসিত এই গ্রন্থ।

মূল্য : ১০০ টাকা মাত্র(একশত টাকা মাত্র)


“বিজ্ঞানের আলোকে বিবেকানন্দের বাণী” গ্রন্থটির মৌলিকত্ব গ্রন্থের পরিপূর্ণ আবহে; গ্রন্থ-নির্মাণের ঐহিক প্রচেষ্টায় বহুজন হীত সাধনে এবং লেখকদ্বয়ের দায়বদ্ধ লেখনীর নৈব্যক্তিক মননে। গ্রন্থটর একক উদ্দেশ্য বিজ্ঞানের আলোকে বিবেকানন্দের বাণীর আনুবীক্ষণিক ব্যাখ্যা নয়, বরং বিবেকানন্দ কথিত পূর্ণতা প্রকাশের মাধ্যমে শিশুর সর্বাঙ্গীন বিকাশের মৌলিক ধারণা প্রদান। আর এখানেই বিজ্ঞানভিত্তিক তথ্য নির্ভর গ্রন্থটি হয়ে উঠেছে - জীবন-চর্চার, জীবন-শৈলীর আকর গ্রন্থ।

ডাঃ ভোলানাথ চক্রবর্ত্তী
ডাঃ ভোলানাথ চক্রবর্ত্তীর জন্ম ১৯৫১ সালে। কালনা কলেজে উদ্ভিদবিদ্যা বিভাগে অধ্যাপনার সঙ্গে সঙ্গে গবেষণামূলক সাহিত্যচর্চা। পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য পুস্তক পর্ষদের “মানুষ ও পরিবেশ” গ্রন্থটি লেখক-স্বীকৃতি অর্জনে লেখককে বিশেষ সাহায্য করে; এর পর নেতাজী সুভাষ মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের স্মাতক-সাম্মাণিক স্তরের “অ্যালগি” গ্রন্থ রচনা করেন। “সািইটোজেনেটিক্স”-এর বিষয়ের উপর গবেষণা করে বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ১৯৮৩ সালে পি-এইচ.ডি. ডিগ্রি লাভ করেন। দেশে-বিদেশে বিভিন্ন জার্নালে তার গবেষণাপত্র প্রকাশিত হয়েছে। “বিজ্ঞানের আলোকে বিবেকানন্দের বাণী” গ্রন্থটিতে লেখক বিবেকানন্দের বাণীর বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যার মাধ্যমে শিশুর সর্বাঙ্গীন বিকাশের মৌলিক ধারণা প্রদানের প্রচেষ্টায় ব্রতী হয়েছেন।

ডাঃ স্যমন্তক চক্রবর্ত্তী
জন্ম ১৯৯০ সালে, কালনায়। Acme Academy থেকে ICSE এবং ISC পরীক্ষায় কৃতিত্বের সঙ্গে উত্তীর্ণ হয়ে West Bengal University of Health Sciences এর অন্তর্গত বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ থেকে MBBS পরীক্ষায় কৃতিত্বের সঙ্গে উত্তীর্ণ হন। বর্তমানে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের Department of Health and Family Welfare-এর অধীনে Medical Officer রূপে কর্মরত। ডাঃ সম্যন্তক চক্রবর্ত্তী এই গ্রন্থের অপর লেখক ডাঃ ভোলানাথ চক্রবর্ত্তীর সুযোগ্য পুত্র। এই গ্রন্থ রচনায় তাঁর সুনিপুন লেখনিতে ফুটে ওঠে বিবেকানন্দের পূর্ণতার বৈজ্ঞানিক আবেশ এবং তথ্য নির্ভর ব্যাখ্যা।
মূল্য : ২০০ টাকা মাত্র(দুইশত টাকা মাত্র)

www.tatobhumiprakashani.in


বাংলা সাহিত্যের অন্যতম সর্বকালীন শ্রেষ্ঠ কথা সাহিত্যিক অতীন বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছোট গল্পগুলি পৃথক ভাবে সংকলনের দাবী রাখে। অতীন বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছোট গল্পগুলি মনে করিয়ে দেয় – সাহিত্য সৃষ্টির প্রথম শর্ত হল স্রষ্টার জীবনব্যাপী সন্ধান কিসের জন্য – মৌলিক যদি হয় এবং সেই সন্ধানে মানুষের ইতিহাস যদি লেখা থাকে, তবেই সার্থক সেই সাহিত্যমালা। এখঅনেই অতীন বন্দ্যোপাধ্যায় হয়ে উঠেছেন কিংবদন্তী। বিচিত্র-জীবন এবং তার অনুভবে এই গল্পগুলির আছে আলাদা সৌন্দর্য, আলাদা কারুকাজ। গল্পের জন্য তিনিই দ্বিতীয় সাহিত্যিক যিনি বাংলা সাহিত্যে আকাদেমি পুরস্কারে সম্মানিত। তাঁর জীবন প্রণালী থেকে জন্মানো শব্দ-ঝর্নার যাবতীয় সৌন্দর্যকে তিনি দক্ষ স্বর্ণকারের মতো গেঁথে দেন যাতে চরিত্রটি জীবন্ত এবং শ্রীহনিতায়ও শ্রীময় হয়ে উঠতে পারে। তাঁর আশ্চর্য গদ্যও এই গল্পগুলিতে বিশেষভাবে লক্ষ্য করা যায় – গল্পের উপাদানে আছে জীবনের খোঁজ – শুধু জীবন কেন ইতিহাসেরও। মানুষ যখন বেঁচে থাকে, তার জীবন সত্যও বেঁচে থাকে, মানুষ এবং তার জীবন – সত্যের খোঁজে লেখকের এই যাত্রা – এই গল্পগুলিতে সাবলীলভাবেই ধরা পড়েছে। আর তাই এই গল্পগুলি হয়ে উঠেছে বর্ণমালার চালচিত্র নির্মিত এক জীবনেতিহাস।

অতীন বন্দ্যোপাধ্যায়
- জন্ম-১৩৩৭, ইং ১৯৩১। ঢাকা জেলার রাইনাদি গ্রামে। যৌথ পরিবারে তিন বড় হয়েছেন। সোনারগাঁ পানাম স্কুলের ছাত্র। দেশভাগের পর ছিন্নমূল। এদেশে তিনি তখন নিরুপায় বিধ্বস্ত পরিবারটির একমাত্র অবলম্বন। যখন যে কাজ পেয়েছেন সানন্দের তাই গ্রহণ করেছেন। কখনও ট্রাকক্লিনার, কখনও আলমবাজার জুটমিলের শ্রমিক, অন্নাভাব এবং অর্থাভাবের তাড়নায় শেষে মার্চেন্ট নেভিতে কোলবয়ের কাজ । পরে প্রাথমিক স্কুলের শিক্ষক – ১৯৫৬ সালে বি.কম. পাম করেন। বি.টি.ও. পাশ করেন। প্রধান শিক্ষকও ছিলেন একটি সিনিয়র বেসিক স্কুলের। ১৯৬৩ সালে পাকাপাকিভাবে চলে আসেন কলকাতায়। কখনও কারখানার ম্যানেজার, কখনও প্রকাশক সংস্থার উপদেষ্টা শেষে সাংবাদিক। প্রথম গল্প বহরমপুরের ‘অবসর’ পত্রিকায়। সমুদ্রমানুষ লিখে পান, ‘মানিক স্মৃতি পুরস্কার’ ১৯৫৮। ১৯৯১ সালে বিভূতিভূষণ স্মৃতি পুরস্কার, ১৯৯৩ সালে ভূয়ালকা পুরস্কার পান। মতিলাল পুরস্কার, তারাশঙ্কর স্মৃতি পুরস্কার এবং কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায় ও সুধা পুরস্কারে তিনি সম্মানিত। বঙ্গিম পুরস্কার পান ‘দুই ভারতবর্ষ’ উপন্যাসের জন্য ১৯৯৮ সালে। ‘পঞ্চাশটি গল্প’ সংকলনের জন্য সাহিত্য অকাদেমি পুরস্কারে ভূষিত হন ২০০১ সালে। শরৎ পুরস্কার পান ২০০৫ সালে।
২০০৮-এ সুরমা চৌধুরী মেমোরিয়াল ইন্টারন্যাশনাল অ্যাওয়ার্ড ইন লিটারেচার অ্যাণ্ড জার্নালিজম-এ ‘নীলকন্ঠ পাখির খোঁজে’ উপন্যাসটি সম্মানিত হয়। সম্মানমূল্য দশ লক্ষ টাকা। কথিত হয়ে থাকে উপন্যাসটি এই উপমহাদেশের বিবেক।
তাঁর উল্লেকযোগ্য সৃষ্টি – নীলকণ্ঠ পাখির খোঁজে, অলৌকিক জলযান, ঈশ্বরের বাগান, দেবী মহিমা, মানুষের ঘরবাড়ি, জীবন মহিমা, আবাদ, ঝিনুকের নৌকা, দুই ভারতবর্ষ, শেষ দৃশ্য, টুকুনের অসুখ প্রভৃতি।
মূল্য : ২০০ টাকা মাত্র (দুইশত টাকা মাত্র)